তালুকদারহাটে ইভটিজিং করার প্রতিবাদে সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার

0

তালুকদারহাটে ইভটিজিং করার প্রতিবাদে
সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার ! আহত -২ মোঃনাদিম মাহমুদ ।।
বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের তালুকদারহাটে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে ২ই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির এক পর্যায় সন্ত্রাসী হামলা’র অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গগবার দুপুর ১২ টার দিকে তালুকদারহাট সঞ্জয়ের সেলুনের মধ্যে বসে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। জানাগেছে তালুকদারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী ইসরাত জাহান জান্নাতীকে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন জান্নাতের বড়ো ভাই রাসেল ও সটিখোলা গ্রামের বাবুল হাওলাদারের ছেলে আহাদ। তাদেরকে গুরুতর অবস্থায় তাৎক্ষনিক বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তী করা হয়। এদিকে সঞ্জয় অভিযোগ করে বলেন, আমার সেলুনের ভিতরে বসে বাকবিতন্ডা ও মারামারির সুত্রপাত ঘটে। আমি দেখলাম সন্ত্রাসী সাইদুল, অনিক, ছাব্বিরসহ আরও ৫-৬ জন লাঠি, চাকু ও ধারালো রামদা নিয়ে রাসেলের উপর এ্যাটাক করে। এমতাবস্তায় মারামারি ছাড়াতে দোকানের বাইরে থেকে আহাদ আসলে তার হাতেও চাকু দিয়ে কোপ দেয় সন্ত্রাসী সাইদুল। এমনকি আমার দোকানে থাকা খুর(সেফ করা হাতিয়ার) নেওয়ার চেষ্টা করে। আমি মারামারি করতে বাধা দেই বিধায় আমার দোকানের গ্লাস ও মালামাল ভেঙ্গে ফেলে। মারামারি’র খবর পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে ইভটিজার সাইদুল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা পালিয়ে যায়। জানাগেছে বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের সটিখোলা গ্রামের মিন্টু হাওলাদার এর মেয়ে জান্নাতীকে স্কুল চলার পথে উত্তক্ত করতো একই গ্রামের বশার মৃধার ছোট ছেলে সাইদুল মৃধা। উল্লেখ্য জান্নাতীকে বিরক্ত করতো, বাজে প্রস্তাব দিতো সাইদুল। জান্নাতী ও তার পরিবার বিষয়টি সামাল দিতে না পেরে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার দেয়। কেনো স্কুল প্রধানের কাছে বিচার দিয়েছে তা জিগ্গেস করতেই সন্ত্রাসী সাইদুল, অনিক, ছাব্বির ও তার সাঙ্গপাঙ্গগরা ধারালো চাকু, রামদা চাপাতি নিয়ে রাসেলের উপর আক্রমন করে। এতে রাসেলের মাথায় কোপ লাগে একপর্যায় মাটিতে পড়ে যায়। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন বেপরোয়া চলাফেরা, মাদক সেবন করা এবং রাস্তায় দাড়িয়ে স্কুল কলেজ পড়ুয়া মেয়েদেরকে ইভটিজিং করা হলো বখাটে সাইদুল, অনিক, ছাব্বিরে’র নেশা ও পেশা। এদিকে স্হানীয়রা বলেন এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তালুকদারহাটে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আহত রাসেলের বাবা মোঃ মিন্টু হাওলাদার বলেন, আমার ছেলেকে সাইদুল ও তার ভাই অনিকসহ আরও ৫-৬ জন সন্ত্রাসী বেধম মার মেরেছে এবং কুপিয়ে জখম করেছে। প্রশাসনের কাছে আমার দাবি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়া হোক। এবিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোস্তফা কামাল হায়দার বলেন, মারামারির বিষয়টি শুনেছি, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেব।

Share.

Leave A Reply