আজকে বাংলাদেশে আট হাজারের বেশি শিশু জন্ম গ্রহণ করবে

0

আজ ১ জানুয়ারী ২০১৯ মঙ্গলবার নতুন বছরের প্রথম দিনে বাংলাদেশে আট হাজার চার শ’র বেশি শিশু জন্ম গ্রহণ করবে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল-ইউনিসেফের তথ্য তাই বলছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ইউনিসেফ বলছে, আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে জন্ম গ্রহণ করবে আনুমানিক মোট তিন লাখ ৯৫ হাজার ৭২ নবজাতক, যার ২ দশমিক ১৩ শতাংশ জন্মাবে বাংলাদেশে।

 

আজ ইউনিসেফের নিউইয়র্ক কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের বিশ্ব জনসংখ্যা সম্ভাবনা (২০১৭), ওয়ার্ল্ড ডেটা ল্যাব, জাতিসংঘের উপাত্ত, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সরকারি সেবা ও বেশ কয়েকটি দেশের জাতীয় পরিসংখ্যানসহ বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে নবজাতক জন্মের এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। বৈশ্বিক ভাবে বছরের প্রথম দিনে যত নবজাতকের জন্ম হবে তার প্রায় অর্ধেকের বেশির জন্ম হবে ভারত, চীন, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কঙ্গো এবং বাংলাদেশ অর্থাৎ এ আটটি দেশে। নতুন বছরের প্রথম দিনে বিশ্বে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের এক-চতুর্থাংশের জন্ম হবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে।

 

 

ইউনিসেফ বলছে, বিশ্ব জুড়ে শহর গুলোতে উৎসব মুখর মানুষ নানা আয়োজনে শুধু নতুন বছরকেই স্বাগত জানাবে না, একই সঙ্গে পরিবারের নতুন ও সবচেয়ে ছোট বাসিন্দাকেও স্বাগত জানাবে। ঘড়ির কাঁটা যখন মধ্য রাত্রি নির্দেশ করবে তখন সিডনিতে আনুমানিক ১৬৮, টোকিওতে ৩১০, বেইজিংয়ে ৬০৫, মাদ্রিদে ১৬৬ ও নিউইয়র্কে ৩১৭ নবজাতক জন্ম গ্রহণ করবে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ ফিজিতে খুব সম্ভবত ২০১৯ সালের প্রথম নবজাতকের জন্ম হবে এবং ওই দিনের শেষ নবজাতকের জন্ম হবে যুক্তরাষ্ট্রে।

 

ইউনিসেফ আনন্দের সংবাদ দেওয়ার পাশাপাশি মন খারাপের তথ্যও দিয়েছে। তথ্য বলছে, নবজাতককে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশে অনেক নবজাতকের নাম রাখাও সম্ভব হবে না। কেননা তাদের জীবনের প্রথম দিনটি পার করার আগেই তারা মারা যাবে। ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ নবজাতক তাদের জন্মের প্রথম দিনেই এবং প্রায় ২৫ লাখ তাদের জীবনের প্রথম মাসেই মৃত্যুবরণ করে। এদের বেশির ভাগেরই মৃত্যু হয় অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহণ, প্রসবকালীন জটিলতা এবং দূষণ ও নিউমোনিয়ার সংক্রমণের মতো প্রতিরোধযোগ্য কারণে। এটা তাদের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

 

চলতি বছরে শিশু অধিকার বিষয়ক সনদ গ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হবে, যা এই বছর জুড়ে বিশ্বব্যাপী উদ্‌যাপন করবে ইউনিসেফ। এই সনদের আওতায় সরকারগুলো আরও অনেক কিছুর পাশাপাশি মানসম্মত উন্নত সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর জীবন বাঁচানোর পদক্ষেপ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিজ্ঞপ্তি

Share.

Leave A Reply